জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদকে ঘিরে দাঙ্গা, ভাঙচুর ও লুটপাট ছড়িয়ে পড়ার পর ফ্রান্সে আগামী কয়েক দিনের জন্য ‘অবৈধ’ বিক্ষোভ নিষিদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। বৃহস্পতিবার গোয়েন্দাপ্রধান ও জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এ ঘোষণা দেন। শনিবার এবং পরবর্তী সময়ে নতুন বিক্ষোভের ঘোষণা থাকায় সরকার দেশজুড়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করছে।
ম্যাক্রোঁ বলেন, স্বীকৃত সংগঠনের আয়োজিত বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হবে, তবে প্রয়োজন হলে নির্ধারিত পথ পরিবর্তন করা হতে পারে। বৈধ কর্তৃত্ব নেই এমন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ডাকা বিক্ষোভ নিষিদ্ধ হবে। শহরের কেন্দ্র, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি ভবন রক্ষায় এসব পদক্ষেপ জরুরি বলে তিনি জানান এবং কয়েক দিন বিক্ষোভ না করার পরামর্শ দেন। তাঁর মতে, গত সপ্তাহান্তের বড় অংশের অস্থিরতার জন্য লুটপাটকারীরা দায়ী; সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতায় চরম বামপন্থী রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রবিরোধী গোষ্ঠীর ভূমিকা ছিল।
গত সপ্তাহে লিওঁতে ২০০ থেকে ৩০০ দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট হয় এবং পর্যটন কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। শনিবার সেখানে সব বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়েছে; মার্সেই, নিস ও তুলনেও একই বিধিনিষেধ রয়েছে। দাঙ্গা শুরুর পর আড়াই হাজার জন গ্রেপ্তার হয়েছেন, ১৭৪ জন বিচারিক হেফাজতে এবং ৯০০ জনের বেশি বিচারপ্রক্রিয়ার মুখোমুখি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।