Web Analytics

ভয়াবহ বন্যা ও হিমবাহ ধসের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পুনর্গঠনে নেপালের সর্বোচ্চ ৫০০ কোটি ডলার ব্যয় হতে পারে। দেশটি বলছে, প্রকৃত পুনর্গঠন ব্যয় এ অঙ্কের চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে। আগস্টের শেষ দিকে সংঘটিত এই বিপর্যয়ের পর নেপাল জাতিসংঘের ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ তহবিল থেকে ২ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক তহবিলটিতেও অর্থের ঘাটতি রয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল বড় কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর কাছে ক্ষয়ক্ষতির দায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। নেপালের দাবি, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে তাদের অবদান ০ দশমিক ১ শতাংশেরও কম। তাঁর মতে, এটি দয়া বা দানের আবেদন নয়, জলবায়ু ন্যায়বিচারের প্রশ্ন। প্রবল স্রোত ও ধ্বংসাবশেষে শহর, সড়ক, সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

২৬ আগস্টের বিপর্যয়ের পর নেপাল ও তিব্বতে নিহত ও নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়িয়েছে। নিখোঁজদের খুঁজতে নিরাপত্তা বাহিনী ও উদ্ধারকারী দল কাজ করছে; বিশেষ করে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের শত শত কর্মীর খোঁজ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। যোগাযোগব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং দুর্গত এলাকায় জরুরি সহায়তা পৌঁছানো এখন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।