বাংলাদেশে স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বিচারপতি নিয়োগ, পৃথক বিচার বিভাগ সচিবালয় ও অধস্তন আদালত নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল বা সংশোধনের সরকারি উদ্যোগ বিরোধী দলের তীব্র প্রতিবাদের জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এসব পদক্ষেপের ফলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও পূর্ববর্তী আদালতের রায় বাস্তবায়ন প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে অন্তর্বর্তী সরকার সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ অনুমোদন করে এবং ডিসেম্বর থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর থেকে সচিবালয়ের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও সিনিয়র আইনজীবীরা মনে করেন, এসব সংস্কার বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য ছিল।
‘ইয়াং জাজেস ফর জুডিশিয়াল রিফর্ম’ সংগঠন ও নাগরিক সমাজের নেতারা সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ পাসের দাবি জানিয়েছেন এবং জুলাই জাতীয় সনদের আলোকে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।