পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনকে ইসরাইল গোপনে সমর্থন দিচ্ছে—এমন অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ১২ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগের উদ্দেশ্য পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং দেশটির ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থান দুর্বল করা হতে পারে। তবে ইসরাইলি সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক সমর্থন ঘোষণার তথ্য নেই এবং অভিযোগটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণ, বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের বক্তব্য ও আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক আলোচনার মধ্যেই সীমিত রয়েছে।
গত জুলাইয়ে ‘রিপাবলিক অব বেলুচিস্তান’ নামে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো এক চিঠিতে স্বাধীনতা ঘোষণা ও বিদ্রোহীদের প্রায় ৮৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণের দাবি করা হয়। দাবিটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি; কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা বা রাষ্ট্রও বেলুচিস্তানকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। বেলুচিস্তান পাকিস্তানের আয়তনে সবচেয়ে বড় প্রদেশ এবং খনিজ, প্রাকৃতিক গ্যাস, আরব সাগরসংলগ্ন অবস্থান ও চীনের সঙ্গে সহযোগিতার কারণে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক বঞ্চনা, সম্পদ নিয়ন্ত্রণ, নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ ও নিরাপত্তা অভিযান নিয়ে ক্ষোভ বিচ্ছিন্নতাবাদকে শক্তিশালী করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় অর্থ, অস্ত্র বা সামরিক সহায়তার কোনো প্রকাশ্য ও স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত প্রমাণ নেই। ইসলামাবাদের সামনে বিচ্ছিন্নতাবাদ ও নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অভিযোগের সমাধানের দ্বৈত চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।