ঢাকার কেরানীগঞ্জের জিনজিরা পীর মোহাম্মদ পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকা, শিক্ষক কোন্দল এবং আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ৭ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ২ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর এই প্রতিষ্ঠানে এসব পরিস্থিতি প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষা কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে অভিভাবক ও স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, ২০২৩ সালে তৎকালীন প্রধান শিক্ষক আবু রায়হান বরখাস্ত হওয়ার পর প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ দুই বছর এবং ক্রীড়া শিক্ষকের পদ চার বছর ধরে খালি বলে জানা গেছে। সিনিয়র শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও ড্রেস মেকিং বিভাগের শিক্ষিকা তাহমিনা আক্তার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন; সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, তাঁর ক্ষেত্রে নিয়োগবিধির শর্ত পূরণ হয়নি।
প্রতিবেদনে স্কুলের আয়-ব্যয়, ব্যাংক হিসাব পরিচালনা এবং দরপত্র ছাড়া উন্নয়নকাজ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে। তাহমিনা আক্তার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, টেন্ডার ছাড়া কোনো কাজ হয়নি। তবে বিদ্যালয় তহবিলের অর্থ ও ব্যয়ের খাত জানাতে তিনি রাজি হননি এবং পরিচালনা কমিটির বাইরে আয়-ব্যয়ের হিসাব দেখাবেন না বলে জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।