Web Analytics

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গভীর স্থবিরতায় পড়েছে। গত ১৩ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দুই দেশের মধ্যস্থতামূলক আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এরপর হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্ব অর্থনীতিতে জ্বালানি ও সারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলো লক্ষ্য করে কঠোর নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে এবং উপসাগরীয় ও এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজ জব্দ বা ফিরিয়ে দিচ্ছে। তেহরান একে ‘জলদস্যুতা’ বলে আখ্যা দিয়েছে। পাল্টা হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে এবং কয়েকটি বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করে।

নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরু হওয়ার আগেই ভেস্তে যায়, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে তার প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে না। এ সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ওমানে অবস্থান করছিলেন এবং পরে রাশিয়া গিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা যুদ্ধের সমাপ্তি ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের নতুন প্রস্তাব বিবেচনা করছে, যেখানে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থগিত রাখার কথা বলা হয়েছে।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান বর্তমানে ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে এবং দ্রুত ‘বুদ্ধিমান’ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরান নিজেই মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়ার অনুরোধ করেছে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।