আমার দেশ-এর যুগ্ম সম্পাদক এম আবদুল্লাহ ৯ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে চলমান কৃতিত্ব বিতর্কের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, ৪ আগস্ট রাতে সেনাপ্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বেসামরিক মানুষের ওপর গুলি না চালানোর সিদ্ধান্ত নেন। পরদিন সেনাপ্রধান শেখ হাসিনাকে জানান, সেনারা কারফিউ কার্যকর করতে পারবে না—এমন দাবিও প্রতিবেদনে রয়েছে।
লেখকের ভাষ্যে, ৫ আগস্টের ‘ঢাকা চলো’ কর্মসূচির সময় সেনাবাহিনীর নমনীয় অবস্থান পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তিনি দাবি করেন, ঢাকার প্রবেশমুখে ব্যারিকেড শিথিল করা হয় এবং উত্তরা বিএনএস সেন্টারের সামনে ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়েছিল শেখ হাসিনাকে গণভবন ছাড়ার সময় দেওয়ার জন্য। সেনাবাহিনী পূর্ণ শক্তিতে দমন অভিযানে নামলে গৃহযুদ্ধ বা ব্যাপক প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি হতে পারত বলেও তিনি মত দেন।
নিবন্ধে ছাত্র-জনতা, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির এবং বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধী দলগুলোর অবদানের কথাও বলা হয়েছে। লেখক দাবি করেন, ৩ আগস্টের একটি সেনা বৈঠকে তরুণ কর্মকর্তারা নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর গুলি চালাতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি সেনাবাহিনীর ঐতিহাসিক অবস্থানকে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানালেও সেনানিবাসে আশ্রয় নেওয়া ছয় শতাধিক ব্যক্তিকে পালানোর সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে জবাবদিহির কথাও উল্লেখ করেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।