Web Analytics

গাজা উপত্যকার কেন্দ্রীয় শহর দেইর আল-বালাহে আব্দেল করিম সালমান প্রতিদিন বিদ্যুৎ সংকটে ভোগেন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে তার বাড়ি ধ্বংস হওয়ার পর তিনি পরিবারসহ তাঁবুতে আশ্রয় নিয়েছেন এবং মোবাইলের টর্চের আলোয় রাত কাটান। প্রতিদিন কয়েকশ মিটার হেঁটে ফোন চার্জ করতে হয়, যার জন্য দিনে প্রায় ১০ শেকেল খরচ হয়। দুই বছর ধরে পৌর বিদ্যুৎ না থাকায় সৌর বাতি ও জেনারেটরভিত্তিক বিকল্পগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে, ফলে অধিকাংশ পরিবার অন্ধকারে দিন কাটাচ্ছে।

২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলের অবরোধের পর গাজায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। কয়েক দিনের মধ্যেই একমাত্র বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে পুরো অঞ্চল অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। অবকাঠামো ধ্বংস ও জ্বালানি সংকটে ঘরবাড়ি, হাসপাতাল ও পানির ব্যবস্থা সীমিত জেনারেটরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ২০২৫–২০২৬ সালের মধ্যে গাজার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

কিছু বাসিন্দা, যেমন জামাল মুসবাহ, সৌরশক্তিচালিত চার্জিং সেবা চালু করে জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করছেন, কিন্তু সরঞ্জাম ক্ষতি ও জ্বালানি সংকটে তারাও বিপাকে পড়েছেন। টেকসই সমাধান ছাড়া গাজার মানুষ চরম বিদ্যুৎ সংকটে দিন কাটাচ্ছে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।