Web Analytics

বাংলাদেশজুড়ে রেলক্রসিং দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে তিনজনের মৃত্যু হচ্ছে বলে রেলওয়ে পুলিশের তথ্য জানায়। ঈদযাত্রার সময় এই ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়, কারণ বৈধ ও অবৈধ মিলিয়ে তিন হাজারের বেশি লেভেল ক্রসিংয়ের অর্ধেকেরও কম স্থানে গেটম্যান রয়েছে। রেলের হিসাব অনুযায়ী, মোট প্রাণহানির ৮৯ শতাংশই ঘটে অরক্ষিত ক্রসিংয়ে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ রুট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ঢাকা–চট্টগ্রাম–কুমিল্লা করিডোর।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী ২০১৪ সাল থেকে ৮৬৮টি দুর্ঘটনায় ১১১ জন নিহত হলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। পূর্বাঞ্চলে বৈধ ক্রসিংয়ের অর্ধেকেরও বেশি গেটম্যানবিহীন, পশ্চিমাঞ্চলেও একই অবস্থা। চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে ৭২টির মধ্যে ৫৬টি গেট অরক্ষিত। একাধিক তদন্ত ও স্বয়ংক্রিয় অ্যালার্ম স্থাপনের সুপারিশ সত্ত্বেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা দ্রুত অবৈধ ক্রসিং বন্ধ, গেটম্যানদের বেতন ও কর্মপরিবেশ উন্নয়ন, ঈদে বিশেষ টাস্কফোর্স মোতায়েন এবং স্বয়ংক্রিয় সাইরেন স্থাপনের পরামর্শ দিয়েছেন। দীর্ঘমেয়াদে আন্ডারপাস নির্মাণ ও অবৈধ ক্রসিং পরিচালনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশও করা হয়েছে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।