ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও সদরপুর উপজেলার দুই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাল পুনঃখনন প্রকল্পের অব্যয়িত মোট এক কোটি ৮০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন। ২৭ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ভাঙ্গার ইউএনও মাহমুদুল হাসান ৬৪ লাখ ৩৯ হাজার ৯১৬ টাকা এবং সদরপুরের ইউএনও শরীফ শাওন ৩৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা ফেরত পাঠান। দুই কর্মকর্তা সোমবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রাধিকার খাল খনন কর্মসূচির আওতায় ভাঙ্গায় তিনটি খালের জন্য ৩ কোটি ৬০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৫ টাকা বরাদ্দ ছিল। সদরপুরের চারটি খাল পুনঃখননের জন্য বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ১৮ লাখ ৯৪ হাজার ৮০৪ টাকা। ভাঙ্গায় ঘারুয়া ও মানিকদহ ইউনিয়ন এলাকার খালগুলোতে গত ৪ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন ও জুলাইয়ে অনাবৃষ্টির মধ্যে খালগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় খননকাজে বাধা সৃষ্টি হয় এবং কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে দুই উপজেলার কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়নি। স্থানীয় সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম খান বাবুল দুই কর্মকর্তার পদক্ষেপকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির উদাহরণ বলে ধন্যবাদ জানান। স্থানীয় জনগণের কাছেও তারা প্রশংসা পেয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।