পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, যখন তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী অংশ নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ হিসেবে ঘোষণা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলীয় চেয়ারপারসনের পদ থেকে অপসারণের ঘোষণা দেয়। একই সঙ্গে তারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত জানায়। কলকাতার নিউ টাউনের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে ৬০ জন বিধায়ক ও ৭০ জন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। বৈঠকে হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে নতুন চেয়ারপারসন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
ঘটনার সূত্রপাত হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কর্তৃক ঋতব্রত ব্যানার্জিকে বহিষ্কারের পর। ঋতব্রতের অনুসারীরা পাল্টা সাংগঠনিক পদক্ষেপ নিয়ে নতুন কমিটি গঠন করে। তাদের দাবি, তৃণমূলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর অন্তর জাতীয় কার্যকরী কমিটি পুনর্গঠন বাধ্যতামূলক, যা ২০২২ সালের পর আর নবায়ন করা হয়নি। বিদ্রোহীরা বলেন, সংগঠনের বৈধতা বজায় রাখতেই এই পুনর্গঠন প্রয়োজন।
বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস তিনটি অংশে বিভক্ত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিদ্রোহী সংসদ সদস্যরা নির্বাচনি প্রতীকের নিয়ন্ত্রণের দাবিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, পাশাপাশি প্রায় ১১০০ কোটি রুপির দলীয় তহবিল নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।