Web Analytics

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালী অবরোধ করেছে, যা কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করেছে। প্রায় ২,০০০ জাহাজ প্রণালীর কাছে আটকে আছে, যা বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহন করে। ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, সংসদ জাহাজ চলাচলের জন্য টোল আদায়ের আইন প্রণয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যদিও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ইতিমধ্যেই জাহাজ যাচাই ও টোল আদায়ের ‘টোল বুথ’ ব্যবস্থা চালু করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছু জাহাজ প্রায় ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত টোল দিয়েছে এবং কিছু লেনদেন চীনা ইউয়ানে সম্পন্ন হয়েছে। ইরান দাবি করছে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ফি আদায় যৌক্তিক, তবে আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির প্রধান এটিকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাতিসংঘের সাগর আইন অনুযায়ী সব জাহাজের চলাচলের অধিকার রয়েছে, যদিও ইরান ওই চুক্তি অনুমোদন করেনি।

এই অবরোধে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে, ফলে এশিয়ার দেশগুলো জ্বালানি রেশনিং ও শিল্প উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে। ইরান চীন, ভারত ও মালয়েশিয়ার মতো বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের কিছু জাহাজকে সীমিতভাবে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।