Web Analytics

এক গবেষক বলেছেন, বাংলাদেশের তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তির আশা বাদ দেওয়া উচিত। তাঁর মতে, ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের সময় তিস্তা নিয়ে যে খসড়া চুক্তি হয়েছিল, তা এক যুগের বেশি সময়েও বাস্তবায়িত হয়নি। লেখায় বলা হয়েছে, ভারতের উজানের গজলডোবা বাঁধ ও সংশ্লিষ্ট প্রায় ১৬টি স্থাপনার কারণে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে তিস্তার পানি প্রবাহ ব্যাপকভাবে কমেছে।

লেখকের তথ্যমতে, শুষ্ক মৌসুমে তিস্তার স্বাভাবিক প্রবাহ ৫ হাজার ৫০০ কিউসেক হওয়ার কথা থাকলেও ২০১৫ সালের ১১ মার্চ তা ৩৫০ কিউসেকে নেমেছিল। তিস্তা অববাহিকার ৫ হাজার ৪২৭টি গ্রামের মানুষ জীবিকার জন্য নদীটির ওপর নির্ভরশীল ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলায় ৯ লাখ ৬১ হাজার হেক্টর জমি সেচ সুবিধা থেকে বঞ্চিত এবং নদীগর্ভ বালুচরে পরিণত হওয়া, জীববৈচিত্র্য হুমকিতে পড়া ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নামার কথাও বলা হয়েছে।

সমাধান হিসেবে ডালিয়া থেকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পর্যন্ত ১১৫ কিলোমিটার নদীপথ ব্যবস্থাপনা, ১৩টি শাখানদী ও সংলগ্ন খালের সংযোগ এবং খননের মাধ্যমে পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। লেখাটি আরও দাবি করে, ভারতের বৃহৎ নদী সংযোগ প্রকল্পের কারণে ২০১১ সালের খসড়া চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। উজানের স্থাপনাগুলোর এলাকায় ভূমিকম্প হলে নিম্ন অববাহিকায় বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কার কথাও তোলা হয়েছে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।