সারা দেশে ভয়াবহ হারে মাদক বিস্তার ঘটছে। ইয়াবা, হেরোইন, ফেনসিডিল, গাঁজার পাশাপাশি থাইল্যান্ডের ‘কুশ’ ও সিসার মতো নতুন মাদক তরুণ সমাজে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। সরকার ও পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি থাকা সত্ত্বেও শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত মাদক সহজলভ্য হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, মাদকাসক্তি তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করছে এবং এর প্রতিকারে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বেকারত্ব, হতাশা, সঙ্গদোষ ও মাদকের সহজলভ্যতাকে আসক্তির মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড থেকে স্থল, নৌ ও আকাশপথে মাদক দেশে প্রবেশ করছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মাদক বিক্রির অফার দেওয়া হচ্ছে।
ডিএনসি সরকারি ও অনুমোদিত বেসরকারি নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা নেওয়া মাদকাসক্তদের তথ্য সংরক্ষণের জন্য একটি ডেটাবেজ চালু করছে। পাশাপাশি অধিদপ্তরকে আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে ইন্টারোগেশন ইউনিট, ক্রিমিনাল ডেটা সিস্টেম ও ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।