একটি মতামতধর্মী লেখায় বলা হয়েছে, সরকার পরিবর্তন হলেও দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রশাসনিক আনুগত্য ও অপরাধের পৃষ্ঠপোষকতার কাঠামো অক্ষত থাকলে রাষ্ট্রের প্রকৃত চরিত্র বদলায় না। দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে বিলম্ব, ট্রলির সংকট, যাত্রী হয়রানি ও মালামাল চুরির অভিযোগকে নাগরিকসেবা এবং প্রশাসনিক জবাবদিহির পরীক্ষা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
লেখাটিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, আগের সরকারের আমলের কথিত প্রভাবশালী সিন্ডিকেটগুলো কতটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া যাত্রীদের লাগেজ কাটার ভিডিও নিয়ে সরকারের ব্যাখ্যা কী। বিমানবন্দরের অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের তৎপরতার সঙ্গে নাগরিকসেবার ব্যর্থতার জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার তুলনা করা হয়েছে।
রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও আলোচনায় এসেছে। ক্ষমতাসীন দলের এক সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগের পর পদত্যাগকে রাজনৈতিক পদক্ষেপ বলা হলেও, লেখাটি বলেছে এটি নিরপেক্ষ ফৌজদারি তদন্তের বিকল্প নয়। তথ্যভিত্তিক, স্বচ্ছ তদন্ত এবং ক্ষমতার কাছের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও সমান আইনি মানদণ্ডের দাবি জানানো হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।