আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে চীনের ঘনিষ্ঠ দুই মিত্রের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়েছেন, যা চীনের জ্বালানি তেল সরবরাহের পথকে হুমকির মুখে ফেলেছে। জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র, আর শনিবার বিমান হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলি খামেনি। দুটি দেশই তাদের অধিকাংশ জ্বালানি তেল চীনে রপ্তানি করে, যা চীনের মোট আমদানির প্রায় ১৫ শতাংশ বলে ডাটা অ্যানালিটিকস ফার্ম কেপলার জানিয়েছে।
টরটয়িজ ক্যাপিটালের পোর্টফোলিও ম্যানেজার রব থামেল মনে করেন, ইরানের সঙ্গে ইসরাইল ও আমেরিকার সংঘাতে সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে চীন, কারণ দেশটি তার চাহিদার তুলনায় কম তেল উৎপাদন করছে। তিনি বলেন, উচ্চমূল্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলতে পারে, তবে সরবরাহ ব্যাহত হওয়াই বড় ঝুঁকি।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন, যদিও সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে কিছু বলেননি। তেহরান কৌশলগত হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এবং নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে চলা এক তেল ট্যাংকারে হামলার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।