Web Analytics

কিডনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এহতেশামুল হক জানিয়েছেন, রমজানে রোজা রাখা কিডনি রোগীদের জন্য সবসময় নিরাপদ নয়। তিনি বলেন, সিরাম ক্রিয়েটিনিন ৩-এর নিচে থাকলে রোজা রাখা যেতে পারে, তবে ৩-এর ওপরে গেলে রোজা রাখা উচিত নয়, কারণ এতে কিডনির দুর্বলতা ও ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। দীর্ঘ সময় না খাওয়ায় পানিশূন্যতা তৈরি হলে কিডনির ক্ষতি বাড়তে পারে।

তিনি পরামর্শ দেন, রোজা রাখলে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে এবং ইফতারে চিড়া, দই, খিচুড়ি, রুটি-মুরগির ঝোল ও পেঁপে, বেল, আপেল, নেসপাতির মতো ফল খাওয়া যেতে পারে, তবে ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। ডা. হক আরও জানান, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে নেফ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও বারবার ইউরিন ইনফেকশন কিডনি রোগের প্রধান কারণ।

তিনি পরামর্শ দেন, যাদের পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস আছে বা ডায়াবেটিস ও প্রেশার রয়েছে, তাদের নিয়মিত সিরাম ক্রিয়েটিনিন ও ইউরিন টেস্ট করা উচিত।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।