রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৩ জুন এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও অনৈতিক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। হৃদরোগে আক্রান্ত নুর নাহার বেগম ভর্তি হওয়ার পর মারা গেলে তার ছেলে রিফাত হোসেন চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ তুলে এক চিকিৎসককে মারধর করেন বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা জরুরি বিভাগ দুই ঘণ্টা বন্ধ রেখে আন্দোলন করেন।
রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকরা লাশ আটকে রাখেন এবং দেখতে দেননি। পরে রিফাতকে প্রকাশ্যে কান ধরে উঠবস করানোর পর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানান, লাশ আটকে রাখার অভিযোগ সঠিক নয়; নিরাপত্তার কারণে সাময়িকভাবে মর্গে রাখা হয়েছিল। তিনি বলেন, চিকিৎসক মারধরের ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরদিন তিন সংসদ সদস্য হাসপাতাল পরিদর্শন করে ঘটনাটির নিন্দা জানান এবং চিকিৎসা সেবায় মানবিকতা ও পেশাগত নৈতিকতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।