Web Analytics

দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে নীতি সুদহার ১০ শতাংশে রাখলেও বাংলাদেশ ব্যাংক মূল্যস্ফীতিকে ৭ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রায় নামাতে পারেনি। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের মুদ্রানীতি পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা পদক্ষেপের পরও জুন ২০২৬ পর্যন্ত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। দুর্বল বাজারব্যবস্থা, সরবরাহ শৃঙ্খল সমস্যা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি ও পণ্যমূল্যের চাপকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি ১০ দশমিক ৮৯ শতাংশ থেকে ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশে নামলেও মে ২০২৬-এ তা আবার ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে ওঠে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের অর্থনীতি উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে রয়েছে। খাদ্য, পরিবহন ও আবাসন-জ্বালানি খাত মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে। পরিবহন খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং আবাসন-জ্বালানি খাতে ৯ দশমিক ২৬ শতাংশে পৌঁছেছে। জ্বালানি ভর্তুকি কমানো ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এই চাপ বাড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, ২০২৬–২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ধীরে ধীরে কমবে যদি সংকোচনমূলক নীতি অব্যাহত থাকে এবং সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নত হয়। আজ ঘোষিতব্য নতুন মুদ্রানীতিতেও সতর্ক অবস্থান বজায় রেখে নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রাখার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।