দুই বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো গাজার ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস শুরু হয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও আংশিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ক্যাম্পাসে মাত্র চারটি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান সম্ভব হলেও এটি শিক্ষার্থীদের জন্য আশার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
আলজাজিরার তথ্যমতে, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রায় ৫০০ বাস্তুচ্যুত পরিবার আশ্রয় নিয়েছে, যেখানে শ্রেণিকক্ষগুলো এখন অস্থায়ী বসবাসের স্থানে পরিণত হয়েছে। ইউনেস্কোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের যুদ্ধের পর গাজার ৯৫ শতাংশেরও বেশি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরা এই ধ্বংসযজ্ঞকে ‘স্কলাস্টিকাইড’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
অধ্যাপক আদেল আওয়াদাল্লাহ জানান, সীমিত সম্পদ ও বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যেও শিক্ষকরা পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, শিক্ষা অবকাঠামোর এই ধ্বংস ফিলিস্তিনি সমাজের ভবিষ্যৎ ও জ্ঞানভিত্তিক পুনর্গঠনকে দীর্ঘমেয়াদে বিপন্ন করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।