চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ২৬ বছর বয়সী চন্দনা রানী শীলের হাত-পা ও গলা বাঁধা লাশ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের টেরিয়াল স্কুলসংলগ্ন একটি কলাবাগান থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বামীর নির্যাতনের অভিযোগে বাবার বাড়িতে ফিরে যাওয়ার পর পরিবারের আশ্বাসে স্বামীর বাড়িতে ফেরার পরদিনই তাঁর লাশ পাওয়া যায়।
স্বজনদের অভিযোগ, প্রেমের সম্পর্কের সূত্রে প্রায় এক বছর আগে কুমিরা ইউনিয়নের অজয় দাসের সঙ্গে বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে চন্দনাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। ঘটনার আগের দিনও নির্যাতিত হয়ে তিনি বাবার বাড়িতে যান বলে তাঁদের দাবি। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে আশ্বস্ত করে স্বামীর বাড়িতে পাঠান। স্থানীয়রা কলাবাগানের জমির আইলে লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি দেখে স্বজনেরা লাশটি চন্দনার বলে শনাক্ত করেন। নিহতের বাবার করা হত্যা মামলায় স্বামী অজয় দাসসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ ও আলামত পর্যালোচনার মাধ্যমে তাঁদের ভূমিকা নির্ধারণের চেষ্টা চলছে। পুলিশ যৌতুক, পরকীয়াসংক্রান্ত বিরোধ বা অন্য কোনো কারণ খতিয়ে দেখছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।