প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরে আটক ১৫০ জন বাংলাভাষী মানুষকে অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বিশেষ বিমানে পশ্চিমবঙ্গের বাগডোগরা বিমানবন্দরে আনা হয়েছে। পরে তাদের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের হাতে তুলে দেওয়া হয়। প্রতিবেদনের দাবি, ৭ অক্টোবর তাদের বাংলাদেশ সীমান্ত পার করিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের বক্তব্য, তারা উপত্যকায় অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন এবং নির্মাণকাজসহ বিভিন্ন দিনমজুরির কাজে যুক্ত ছিলেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সীমান্ত রাজ্যগুলোর জনবিন্যাসের পরিবর্তন খতিয়ে দেখতে গত মে মাসে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রভাকর নাভলেকারের নেতৃত্বে চার সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের পর এই ধরপাকড় জোরদার হয়। আগস্টে কমিটির জম্মু সফরের পর রোহিঙ্গা ও কথিত বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয় বলে এতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আটক ব্যক্তিরা ভারতীয় বাংলাভাষী নাগরিক নন—এমন অকাট্য প্রমাণ প্রশাসন বা কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলো দেখাতে পারেনি।
প্রতিবেদনটি ২০২৫ সালে দিল্লি থেকে বীরভূমের কয়েকজন বাংলাভাষী শ্রমিককে বাংলাদেশে পাঠানোর ঘটনার উল্লেখ করেছে। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ কলকাতা হাইকোর্ট সেই পদক্ষেপকে বেআইনি ঘোষণা করে চার সপ্তাহের মধ্যে তাদের ফেরানোর নির্দেশ দেয়। বাংলাদেশের নবাবগঞ্জ আদালতও তাদের কাছে ভারতীয় আধার কার্ড ও পশ্চিমবঙ্গের ঠিকানার প্রমাণ থাকার কথা জানায়; পরে তারা ভারতে ফেরেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।