রবিবার জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ৩০০ বিধিতে দুটি বিবৃতি দেন, যার একটি ছিল ছাত্রশিবিরের বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানের গ্রেপ্তার নিয়ে। ধর্ষণ ও জোর করে ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে জিসানকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রশ্ন তোলেন কেন বিচারাধীন বিষয় সংসদে তোলা হলো এবং দুটি বিবৃতি দেওয়া হলো। তিনি বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। এতে সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখার আশ্বাস দেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জিসান ফেসবুকের মাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরে গর্ভপাতের জন্য চাপ সৃষ্টি করেন ও হুমকি দেন। তিনি বলেন, কিছু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জিসানের নিখোঁজ হওয়া নিয়ে সরকারকে দায়ী করার চেষ্টা হয়েছিল, তাই প্রকৃত ঘটনা সংসদে তুলে ধরা হয়েছে। বিরোধী উপনেতা তাহের অভিযোগ করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইচ্ছাকৃতভাবে একটি দলকে লক্ষ্য করে বিতর্কিত বিষয় সংসদে এনেছেন এবং প্রশ্ন তোলেন কেন সাংবাদিকরা জিসান বা ভিকটিমের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন না।
ডেপুটি স্পিকার সদস্যদের দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংসদীয় রীতিনীতির বাইরে কিছু হলে তা পর্যালোচনা করা হবে। এরপর ২০২৫–২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।