রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এখন স্থায়িত্বের দিক থেকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধকেও ছাড়িয়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার সংঘাতের ১,৫৬৯তম দিনে পদার্পণ করে এটি চার বছর তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর পর দ্রুত বিজয়ের আশা করেছিলেন, কিন্তু যুদ্ধটি দীর্ঘমেয়াদি ক্ষয়িষ্ণু সংঘাতে পরিণত হয়েছে। শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়েছে এবং জরিপে দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক ইউক্রেনীয় মনে করেন যুদ্ধ আগামী বছরের আগে শেষ হবে না।
ইতিহাসবিদরা বলছেন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি তুলনা সীমিত হলেও উভয় যুদ্ধই ইউরোপের ভূরাজনীতি ও সামরিক জোটের কাঠামো বদলে দিয়েছে। প্রযুক্তির অগ্রগতিতে যুদ্ধের ধরনও পাল্টেছে—যেখানে একসময় ট্যাঙ্ক ও যুদ্ধবিমান ছিল, এখন সেখানে ড্রোনের আধিপত্য।
ড্রোনের কারণে পরিখাভিত্তিক যুদ্ধব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে, সৈন্যরা এখন ছোট ও গভীর বাঙ্কারে আশ্রয় নিচ্ছে। ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা আগের মতোই ভয়াবহ, এবং বিশেষজ্ঞরা একে ‘ড্রোন যুগের প্রথম বিশ্বযুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করছেন। ইউক্রেন এখন রাশিয়ার অর্থনৈতিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়ে অচলাবস্থা ভাঙার চেষ্টা করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।