যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। ২০২৬ সালের ২৯ মার্চ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠকে বসে দুই পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে অংশ নেওয়া চারটি দেশেরই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে। পাশাপাশি পাকিস্তানের সঙ্গে ইরানের সম্পর্কও ভালো, যা তাদের উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে সহায়তা করছে।
পাকিস্তান মূলত যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা ইরানের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে এবং ইরানের অবস্থান ও দাবি নিয়ে ফিরে আসছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা তাদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে দুই দেশকে আলোচনায় বসতে উৎসাহিত করার চেষ্টা করছেন।
পাকিস্তানের অনেকের মতে, অতীতের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়তো সময় নিচ্ছেন, এ সময়ের মধ্যে সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতিও এগোতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।