বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট, উচ্চ সুদহার, ডলারবাজারের চাপ এবং বিনিয়োগ স্থবিরতায় শিল্প খাত তীব্র চাপে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। গত এক বছরে ছোট-বড় মিলিয়ে আড়াই শতাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে এবং দেড় লাখের বেশি শ্রমিক-কর্মচারী কর্মহীন হয়েছেন। সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলে গ্যাসচাপের ঘাটতিতে বহু কারখানা সক্ষমতার নিচে চলছে বা দিনের বড় সময় উৎপাদন বন্ধ রাখছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ওয়েভিং টেক্সটাইল, জুট টেক্সটাইল, ওষুধ, সিমেন্ট-লাইম-প্লাস্টার এবং ফল প্রক্রিয়াজাতসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে উৎপাদন কমেছে। ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহারে উৎপাদন ব্যয় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। সরকার ১৪ জুলাই নতুন শিল্প গ্যাস সংযোগ ও অনুমোদিত লোড বৃদ্ধি সাময়িকভাবে স্থগিত করে; ১৭ জুলাই পেট্রোবাংলা এ বিষয়ে জরুরি নির্দেশনা দেয়।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ ২১ দশমিক ৫৩ শতাংশে নেমেছে, যা ১৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সময়ে শিল্পের কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি কমেছে এবং ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে নতুন বিদেশি ইকুইটি প্রবাহ ৭০ দশমিক ৩৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বিডা ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে বিকল্প জ্বালানি প্রকল্পে কাজ করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।