বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন (ইসি) ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও একই সঙ্গে ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটের আগে আস্থার সংকটে পড়েছে। একের পর এক সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, নির্বাচনের মাঝপথে আইন ও আচরণবিধি সংশোধন এবং আদালতের আদেশে তফসিল ও সীমানা পুনর্বিন্যাসের জটিলতা রাজনৈতিক দল ও ভোটারদের মধ্যে প্রশ্ন তুলেছে। গণভোটে কর্মকর্তাদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে প্রচার নিষিদ্ধ করার নির্দেশনা নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে, কারণ সরকারের পক্ষ থেকে ‘হ্যাঁ’ প্রচার চলমান থাকায় ভোটারদের কাছে ভিন্ন বার্তা যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ছাড়াই সরাসরি জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের অভিজ্ঞতা না থাকায় কমিশনের প্রস্তুতি ও দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গঠিত এই কমিশন নানা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা, ডাক ভোট ও দলীয় প্রতীক নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বারবার নিয়ম পরিবর্তন কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা দুর্বল করেছে। তবে কমিশনের সদস্যরা দাবি করেছেন, তারা কোনো রাজনৈতিক চাপ ছাড়াই ন্যায়সঙ্গতভাবে কাজ করছেন। হাইকোর্ট নির্বাচন ও গণভোট স্থগিতের আবেদন খারিজ করেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।