সূত্রের বর্ণনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের বোমাবর্ষণ শুরুর পর ইরান মধ্যপ্রাচ্য থেকে অধিকাংশ মার্কিন সেনা সরাতে বাধ্য করার লক্ষ্যে সংঘাত বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে। তেহরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করেছে বলে এতে দাবি করা হয়েছে, যার ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে ইরান মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা অব্যাহত রেখেছে এবং দেশটির নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের আলোচকদের বিশ্বাস করেন না।
প্রতিবেদনটি বলছে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস, ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বন্ধ এবং সরকার পরিবর্তনের মার্কিন লক্ষ্য সফল হয়নি। শুরুর দিকের একটি হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারা নিহত হন বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে মোজতবা খামেনি নতুন সর্বোচ্চ নেতা হন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বোমাবর্ষণ থেকে বেঁচে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেন।
সূত্র অনুযায়ী, ইরান আঞ্চলিক তেল স্থাপনা, বন্দর, মার্কিন ঘাঁটি ও বেসামরিক অবকাঠামোতে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও সাইবার হামলার কথা বিবেচনা করছে। এতে নৌপথ, প্রতিবেশী ভূখণ্ড এবং মার্কিন বা ইসরাইলি কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করার সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়েছে। তেহরানের লক্ষ্য হলো ওয়াশিংটনকে এমন চাপের মুখে ফেলা, যাতে তারা হরমুজে ইরানের নিয়ন্ত্রণ মেনে নেয় এবং অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি কমায়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।