Web Analytics

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এ বড় ধরনের সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবিত পরিবর্তনে পাচার করা বা অর্জিত সম্পদ বৈধ—এটি প্রমাণের দায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ওপর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় ও অংশীজন সভার কার্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ, এনবিআর, দুদক, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএফআইইউর প্রতিনিধিরা মতামত দেন। বিদেশে পাচার হওয়া অবৈধ সম্পদ উদ্ধারে প্রথমে বিশেষ অধ্যাদেশের কথা ভাবা হলেও পরে বিদ্যমান আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খসড়ায় অবৈধ অর্থের লেয়ারিং বা বারবার হাতবদল ঠেকাতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

নিরপরাধ ব্যক্তির হয়রানি ঠেকাতে এভিডেন্স অ্যাক্ট, ১৮৭২-এর আলোকে বিধানগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি ফেরত চেয়ে আবেদনের সময়সীমা ৩০ দিন থেকে ৪৫ দিন করার প্রস্তাবও রয়েছে। পাশাপাশি আদালতে অবরুদ্ধ বা ফ্রিজ হওয়া হিসাব থেকে রাষ্ট্রের প্রাপ্য শুল্ক ও কর আদায়ের উপায় নির্ধারণে অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে সাত সদস্যের আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।