যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে নতুন বাণিজ্য চুক্তির একটি অন্তর্বর্তী কাঠামো প্রকাশ করা হয়েছে, যার লক্ষ্য ট্রাম্প প্রশাসনের সময় ভারতের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত শুল্ক কমানো। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের জ্বালানি সম্পর্ক পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার পাশাপাশি বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার পুনর্গঠন ঘটবে। ওয়াশিংটনের চাপের মুখে ভারত কিছু মার্কিন কৃষিপণ্য নিজেদের বাজারে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে, যা দেশটির কৃষক ও বিরোধী দলগুলোর সমালোচনার মুখে পড়েছে।
চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ পশুখাদ্য, ভুট্টা ও ইথানল উপজাত আমদানির অনুমতি পাবে ভারত, যা প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলারের পোলট্রি খাতকে উপকৃত করবে। তবে সয়াবিন ও তেলবীজ চাষিরা ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন, কারণ বাজারে ইতোমধ্যেই পশুখাদ্য উদ্বৃত্ত রয়েছে। শুল্কমুক্ত সয়াতেল ও তুলা আমদানির সিদ্ধান্তও কৃষকদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে, যদিও সরকার বলছে কোটার সীমা দেশি উৎপাদকদের সুরক্ষা দেবে। আপেল ও শুকনো ফলের আমদানিতে ক্ষতির আশঙ্কা কম বলে মনে করা হচ্ছে।
এই চুক্তির বিরোধিতায় ভারতের অন্যতম বৃহৎ কৃষক সংগঠন সম্মিলিত কৃষক মোর্চা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।