Web Analytics

বগুড়ার ধুনটে যমুনা নদীর পানি নেমে যাওয়ার পর জেগে ওঠা বালুচরে চিনাবাদাম চাষ করছেন কৃষকেরা। অন্য অনেক ফসলের জন্য কঠিন এই বালুময় জমিতে স্বল্প খরচ, কম পরিচর্যা ও ভালো লাভের আশায় তারা বাদাম চাষে আগ্রহী হয়েছেন। কেউ শ্রমিক নিয়ে, আবার কেউ পরিবার-পরিজনসহ জমি প্রস্তুত ও বীজ বপনের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন।

চরাঞ্চলে কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাসে চিনাবাদাম চাষ করা হয়। কাঁচা বাদামের খোসা ছাড়িয়ে বীজ সংগ্রহের পর লাঙল দিয়ে সারি তৈরি করে নির্দিষ্ট দূরত্বে বীজ বপন করা হয় এবং বালু দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। কৃষকদের হিসাবে, প্রতি বিঘায় সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা খরচে প্রায় পাঁচ মণ ফলন পাওয়া যায়। গত বছর প্রতি মণ বাদাম পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।

বৈশাখি, রাধানগর, নিউসারিয়াকান্দি, বতুয়ারভিটা ও পুকুরিয়া চরের শত বিঘা বালুঢাকা জমি এখনো অনাবাদি রয়েছে। কৃষকেরা এসব এলাকায় পরিকল্পিতভাবে বাদাম চাষ বাড়াতে কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতা চান। ধুনট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ছামিদুল ইসলাম বলেন, বেলে-দোআঁশ ও চরাঞ্চলের মাটি বাদাম চাষের উপযোগী; এ ফসলে সার ও সেচের প্রয়োজন তুলনামূলক কম।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।