বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বারভিডা রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানির অনুমতি চেয়ে তৎপরতা চালাচ্ছে। গত ২৩ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ব্যবহৃত ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। আদেশে পাঁচ বছরের অনধিক পুরোনো গাড়ি, মোটরকার, প্যাসেঞ্জার কার ও ট্রাক আমদানির সুযোগ থাকলেও পুরোনো বা ব্যবহৃত ইভি আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়।
নিষেধাজ্ঞার পর বারভিডা সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন ও ধর্মঘটসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে এবং তা প্রত্যাহারে সরকারি দপ্তরে উদ্যোগ নিয়েছে। সংগঠনের সভাপতি আবদুল হক নীতিটিকে বৈষম্যমূলক বলে দাবি করেন। তাঁর মতে, ব্যাটারির আয়ুষ্কাল অন্তত ৭০ শতাংশ থাকার সনদের মতো শর্ত দিয়ে আমদানির সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞায় ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং ক্রেতাদের বেশি দামে গাড়ি কিনতে হতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞরা এ উদ্যোগের বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের মতে, দেশে পর্যাপ্ত চার্জিং অবকাঠামো ও ব্যাটারি নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেই। আব্দুল মান্নান খান বলেন, পুরোনো ব্যাটারির ধারণক্ষমতা কমে যায় এবং পরিবর্তনে নির্দিষ্ট মডেলের ব্যাটারি প্রয়োজন হয়। বুয়েটের অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান খান সতর্ক করেন, দ্রুত বদলে যাওয়া ইভি প্রযুক্তির কারণে পুরোনো গাড়ি কয়েক বছরের মধ্যে বর্জ্যে পরিণত হতে পারে। তাঁরা ব্যাটারি ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ নীতি তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।