বৃহস্পতিবার কিউবার ওপর নতুন করে একাধিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব নিষেধাজ্ঞা মূলত কিউবার সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন বৃহৎ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গ্রুপো দে অ্যাডমিনিস্ট্রাসিওন এমপ্রেসারিয়াল এসএ (জিএইএসএ) এবং এর নির্বাহী প্রেসিডেন্ট আনিয়া গুইয়ের্মিনা লাস্ত্রেস মোরেরাকে লক্ষ্য করে আরোপ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে মোয়া নিকেল এসএ নামের যৌথ উদ্যোগ, যা টরন্টোভিত্তিক শেরিট ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন ও কিউবার রাষ্ট্রীয় নিকেল কোম্পানির অংশীদারিত্বে পরিচালিত। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপ কার্যত জ্বালানি অবরোধ সৃষ্টি করছে এবং কিউবাকে জ্বালানি সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিএইএসএর সঙ্গে কিউবার অর্থনীতির প্রায় সব খাতের সংযোগ রয়েছে, ফলে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব ব্যাপক হতে পারে। শেরিট জানিয়েছে, নতুন নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা যৌথ উদ্যোগে সরাসরি অংশগ্রহণ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক্সে বলেছেন, কিউবার সরকার প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার না আনা পর্যন্ত পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
কিউবার সরকার এখনো নতুন নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি, তবে জাতিসংঘের সতর্কতা আন্তর্জাতিক উদ্বেগের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।