Web Analytics

বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও প্রায় দেড় হাজার প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। ভেরিফিকেশনের পর বাদ পড়ার ঘটনায় বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি কর্মসূচি হয়েছে। শনিবার সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের উপস্থিতিতে জরুরি বৈঠকের পর মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বঞ্চিতদের বিষয় যথাযথভাবে পরীক্ষা করে পর্যায়ক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বাদ পড়া প্রার্থীরা কারণ প্রকাশ, নথি নিরপেক্ষভাবে পুনঃযাচাই, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ এবং প্রশাসনিক আপিলের ব্যবস্থা দাবি করেছেন। ভোলায় ২৫৬ সুপারিশপ্রাপ্তের মধ্যে ৮৪ জন এবং সুনামগঞ্জে ৬৩৫ জনের মধ্যে ১২০ জন নিয়োগপত্র পাননি বলে প্রার্থীরা দাবি করেছেন। পরে একটি প্ল্যাটফর্মের দাবি, নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীর সংখ্যা আড়াই হাজারের বেশি; তবে সরকারিভাবে মোট সংখ্যা জানানো হয়নি।

মন্ত্রণালয় বলেছে, ১ অক্টোবরের মধ্যে উত্তীর্ণ কোনো প্রার্থী নিয়োগপত্র না পেলে তার বিষয় পরীক্ষা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগের নির্দেশনায় ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিয়োগপত্র না পাওয়ার কারণসহ তালিকা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছিল। পুলিশ ও এনএসআই প্রতিবেদনে বিরূপ মন্তব্য থাকলে নিয়োগ আদেশ না দেওয়ার নির্দেশনা ছিল।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।