চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। প্রতিদিন গড়ে ১১ জন নতুন রোগী শনাক্ত হচ্ছেন। জুলাই মাসের প্রথম পাঁচ দিনেই ৫৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন, যার মধ্যে একদিনেই ১৮ জন। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় নগরীর আটটি ওয়ার্ডকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে। জরিপে দেখা গেছে, প্রতি চারটি বাড়ির একটিতে এডিস মশার লার্ভা রয়েছে এবং শনাক্ত লার্ভার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশই এডিস ইজিপটাই প্রজাতির।
নগরবাসী অভিযোগ করেছেন, ৪১টি ওয়ার্ডে নিয়মিতভাবে মশা নিধনের ওষুধ ছিটানো হচ্ছে না। তবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, সব সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু কর্নার চালু করা হয়েছে এবং কিট ও বেডের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। চসিক দাবি করেছে, সাতটি জোনে প্রতিদিন ওষুধ ছিটানো হচ্ছে এবং জনবল ও যন্ত্রপাতি বাড়ানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জনগণকে নিজ নিজ বাড়ির মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের আহ্বান জানিয়েছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক জানান, কার্যকর ওষুধ প্রয়োগ ও উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসা জোরদারে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।