Web Analytics

ইরান অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যে সামরিক সংঘাত বাড়ানোর হুমকি দিলেও আড়ালে কূটনৈতিক আলোচনার জন্য তদ্বির করছে। ২ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির মুখপাত্র এবং জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা হাসান গাশগাভি এ কথা বলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পিত হামলা বাতিলের আগেই তিনি এই মন্তব্য করেন।

গাশগাভি বলেন, চলমান সংঘাত যে রূপই নিক, কৌশলগত হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কেবল তেহরানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিচারিতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন গণমাধ্যমে উত্তেজনা বাড়ানোর কথা বললেও গোপন চ্যানেলে আলোচনার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছে। তাঁর দাবি, সংঘাত বা আলোচনা—দুই পরিস্থিতিতেই হরমুজে চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের নীতিই বহাল থাকবে।

ইরান-চীন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাজিদরেজা হারিরি এক্সে লিখেছেন, ইরানের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় হামলা চালানোর সাহস ওয়াশিংটনের নেই। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে প্রায় ১৫০টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রসহ বিকেন্দ্রীকৃত বিদ্যুৎব্যবস্থা রয়েছে। এই বিস্তৃত নেটওয়ার্কের কারণে বিমান হামলায় পুরো দেশকে একযোগে বিদ্যুৎহীন করা কঠিন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।