নরসিংদীর ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা গ্যাস সংকটের কারণে ৪০ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। কারখানাটিতে সাত লাখ ৬৪ হাজার ৫৩৫ টন ইউরিয়া উৎপাদিত হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৮৫ হাজার টন কম। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ এই কারখানাটি উদ্বোধনের পর প্রথম বছর ২০২৪–২৫ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করেছিল।
বিসিআইসির আওতায় প্রায় ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কারখানাটি ২০২৪ সালের মার্চে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। প্রথম বছরেই এটি ২ হাজার ৬৩২ কোটি টাকার রাজস্ব আয় ও ২৩২ কোটি ৬৯ লাখ টাকার নিট মুনাফা অর্জন করে, যা সরকারি মালিকানাধীন ইউরিয়া কারখানাগুলোর মধ্যে একমাত্র লাভজনক প্রতিষ্ঠান ছিল। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধজনিত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় উৎপাদন ঘাটতি দেখা দেয়।
কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন অর্থবছরে ৯ লাখ ৪০ হাজার টন ইউরিয়া উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে ও যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রমের আশা করা হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।