ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ২০২৬ সালের ১ মার্চ রবিবার নিহত হয়েছেন বলে ইরানের তাসনিম ও ফার্স বার্তা সংস্থার বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে। পরবর্তীতে তেহরান খামেনি ও কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার শাহাদাতের বিষয়টি নিশ্চিত করে। তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি সরকারি কমপ্লেক্সে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এই ঘটনা ঘটে। হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে খামেনির অবস্থান নিয়ে ঘনিষ্ঠ গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হন। তিনি দেশের রাজনৈতিক, সামরিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখতেন। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত এই পদটি প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্টের ওপরে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা দেয়। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ও বাসিজ বাহিনীর আনুগত্য তার অবস্থানকে শক্তিশালী করেছিল।
নিউ ইয়র্ক টাইমস জানায়, সিআইএ কয়েক মাস ধরে খামেনির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে এবং ইসরাইলকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেয়। সেই তথ্যের ভিত্তিতে হামলার সময় পরিবর্তন করা হয় এবং তেহরানের ওই কমপ্লেক্সে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।