Web Analytics

কেনিয়ার শিক্ষাব্যবস্থায় ভাষা ব্যবহারের প্রশ্নে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ২০২৩ সালে ফ্যাশন ডিজাইন পড়তে টেকনিক্যাল কলেজে ভর্তি হওয়া লোনা চেপকেমোই মাতৃভাষা কালেনজিনে পাঠদান পেয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পান। তার অভিজ্ঞতা ইউনেস্কোর গ্লোবাল এডুকেশন মনিটরিং রিপোর্টে উল্লিখিত বৈশ্বিক বাস্তবতার প্রতিফলন, যেখানে বলা হয়েছে বিশ্বের প্রায় ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী এমন ভাষায় পড়াশোনা করে যা তারা পুরোপুরি বোঝে না।

কেনিয়ার নীতিমালা অনুযায়ী তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত মাতৃভাষায় পাঠদানের বিধান থাকলেও পরে ইংরেজি প্রধান মাধ্যম হয়ে ওঠে। বাস্তবে অঞ্চল ও শিক্ষকের দক্ষতার ওপর নির্ভর করে ভাষার ব্যবহার পরিবর্তিত হয়। আফ্রিকার বহু দেশে এখনো ঔপনিবেশিক আমলের ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ ও পর্তুগিজ ভাষার প্রভাব বিদ্যমান। ইউনেস্কো বলছে, মাতৃভাষা-ভিত্তিক বহুভাষিক শিক্ষা সাক্ষরতা ও শিক্ষার মানোন্নয়নের মূল চাবিকাঠি।

শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা স্থানীয় ভাষায় শিক্ষার সুফল স্বীকার করলেও উচ্চশিক্ষা ও বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্রে ইংরেজির প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা যায় না। এই ভারসাম্য রক্ষা করাই এখন কেনিয়ার শিক্ষাব্যবস্থার প্রধান চ্যালেঞ্জ।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।