রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার কারণে রাশিয়ায় কিছুটা জ্বালানি ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যদিও তিনি এটিকে এখনো গুরুতর বলে মনে করেন না। রোববার ক্রেমলিন প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, চার বছর ধরে চলা যুদ্ধে ইউক্রেনের হামলার ফলে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আক্রমণের পর থেকে রুশ বাহিনী ইউক্রেনের শহর, বেসামরিক নাগরিক ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে আসছে। এর জবাবে ইউক্রেনও রাশিয়ার অভ্যন্তরে তেল শোধনাগার ও সামরিক স্থাপনায় পাল্টা আক্রমণ করছে। পুতিন বলেন, এখন রাশিয়ার প্রধান কাজ হলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, বিশেষ করে ক্রিমিয়ায় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।
রাশিয়ার দখলকৃত ক্রিমিয়ার কর্তৃপক্ষ শুক্রবার জ্বালানি ঘাটতি ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। তারা ইউক্রেনের হামলাকে এর জন্য দায়ী করেছে। পুতিন আশা প্রকাশ করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল মস্কো সফর করে যুদ্ধ শেষের আলোচনায় অংশ নেবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।