আমার দেশ-এর একটি মতামতধর্মী লেখায় বলা হয়েছে, জয়পুরহাট ও নওগাঁর নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দল ও সরকারকে এক করে না দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি ক্ষমতাসীন দল ও সরকারের সম্পর্ককে সমান্তরাল রেললাইনের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, উভয়ই একই গন্তব্যে চলবে, কিন্তু একে অন্যকে স্পর্শ করবে না। লেখাটি এই বক্তব্যকে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দলের সীমারেখা বজায় রাখার প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরেছে।
লেখকের মতে, নির্বাচিত দল সরকার গঠন করলেও রাষ্ট্র ও সরকার সব নাগরিকের, কেবল দলীয় সমর্থকদের নয়। দল-রাষ্ট্র একাকার হলে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা, ঋণ, টেন্ডার ও নাগরিক সমালোচনার ক্ষেত্রে দলীয় প্রভাব বাড়তে পারে বলে নিবন্ধে সতর্ক করা হয়েছে। এতে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের কথাও উল্লেখ করা হয়, যেখানে তিনি অস্থিরতা, বিভ্রান্তি এবং জ্বালানি-বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে আলোচনার বিষয়ে উদ্বেগ জানান এবং ১০ বছরের জ্বালানি-বিদ্যুৎ পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের কথা বলেন।
নিবন্ধটি বলছে, দল-সরকার পৃথক রাখার প্রকৃত পরীক্ষা হবে সমালোচনা সহ্য করা, দলীয় তদবির ঠেকানো এবং তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ন্যায্য দাবি ও নাশকতার পার্থক্য নির্ধারণে। এতে মন্ত্রীদের দলীয় নির্বাহী দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি, প্রশাসনে দলীয় সুপারিশ বন্ধ এবং দলীয় অভ্যন্তরে জবাবদিহির কাঠামোর মতো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।