নেপালে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জেন-জি নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানে অন্তত ৭৭ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনার সুপারিশ করেছে সরকার সমর্থিত তদন্ত কমিশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন দ্রুত অর্থনৈতিক দুর্দশা ও দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়। প্রথম দিনেই নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১৯ তরুণ নিহত হন, যার পর অলি পদত্যাগ করেন। কমিশনের প্রতিবেদনটি স্থানীয় গণমাধ্যমে ফাঁস হয় এবং এটি প্রকাশিত হয় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণের সময়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অলি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক প্রাণহানি রোধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। ৬৩টি ময়নাতদন্তের মধ্যে ৪৮টিতে দেখা গেছে, ভুক্তভোগীরা গুলিতে নিহত হয়েছেন এবং বেশিরভাগের গুলি লেগেছে বুকে বা মাথায়। সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি অলির পদচ্যুতির পর অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে এই তদন্ত কমিশন গঠন করেন। কমিশনটি ২০০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ৯০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দেয়।
কার্কির কার্যালয় জানিয়েছে, প্রতিবেদনটি শিগগিরই প্রকাশ করা হবে, যদিও এর আনুষ্ঠানিক বিবরণ এখনো প্রকাশিত হয়নি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।