ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বৈশ্বিক জ্বালানি খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। তেলের দামে ব্যাপক ওঠানামা হয়েছে এবং হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কঠোর নিয়ন্ত্রণের কারণে সরবরাহকারীরা বিকল্প বাণিজ্য পথ খুঁজছে। টোকিও থেকে লন্ডন পর্যন্ত বিভিন্ন সরকার জ্বালানি ব্যয়ের চাপ কমাতে জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শান্তি আলোচনা বাজার স্থিতিশীলতার আশা জাগালেও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি মানচিত্র স্থায়ীভাবে বদলে দিয়েছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন পাইপলাইন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা চলছে, তবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল এখনো ঝুঁকিপূর্ণ। সাম্প্রতিক হামলার পর জাহাজ চলাচল কমে গেছে এবং সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাকের স্থলপথে রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে দেশগুলো দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে, যা বায়ু, সৌর ও জলবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও কাতার। চীন নবায়নযোগ্য যন্ত্রাংশ উৎপাদনে শীর্ষে, আর যুক্তরাষ্ট্র ও কাতার নির্ভরযোগ্য এলএনজি সরবরাহকারী হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।