Web Analytics

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ ধারণাটি আলোচনায় এসেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতা মোহাম্মদ শিশির মনির ও এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদের বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল আরও বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংসদের বৃহত্তম বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে গঠিত এই সমান্তরাল মন্ত্রিসভায় সরকারের প্রতিটি মন্ত্রীর বিপরীতে একজন করে ‘ছায়া মন্ত্রী’ থাকেন, যিনি সংশ্লিষ্ট খাতের নীতি ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রতিবেদনটি জানায়, বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে গঠিত ছায়া মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও নীতিনির্ধারকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর কাজ হলো সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, বিকল্প নীতি প্রস্তাব দেওয়া, সংসদীয় বিতর্কে নেতৃত্ব দেওয়া এবং ভবিষ্যৎ সরকার গঠনের প্রস্তুতি নেওয়া। যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও নিউজিল্যান্ডে এই কাঠামো প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিদ্যমান, তবে বাংলাদেশ ও ভারতে তা অনানুষ্ঠানিক পর্যায়ে সীমিত।

বিশ্লেষকদের মতে, শক্তিশালী ছায়া মন্ত্রিসভা সংসদীয় গণতন্ত্রে ভারসাম্য রক্ষা করে, বিকল্প নীতিচিন্তা উত্সাহিত করে এবং একদলীয় আধিপত্যের ঝুঁকি কমায়।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।