৫ আগস্ট নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ায় আশ্রিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার রাতে বিবৃতিতে এই আয়োজনকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি অবমাননা হিসেবে বর্ণনা করে গভীর ক্ষোভ জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, আয়োজনের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে ভারত সরকারকে আগেই জানানো হলেও তা অনুষ্ঠিত হতে দেওয়া হয়েছে। ভারত আগে সংসদীয় কমিটিকে জানিয়েছিল, হাসিনাকে ভারতের মাটি থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি। একই সময়ে ঢাকার প্রত্যর্পণ অনুরোধ প্রাসঙ্গিক আইন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় পর্যালোচনাধীন বলে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে হাসিনা ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে সংগঠিত রাজনৈতিক চক্রান্ত বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও মামলাগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানান। ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও তার অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।