বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার অভিযোগের মধ্যেও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বাংলাদেশে আমদানি, রপ্তানি ও কাস্টমস রাজস্ব বেড়েছে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস জুলাই-আগস্টে ১৪ হাজার ১৮ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের ১২ হাজার ৯১৮ কোটি টাকার চেয়ে বেশি। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৭৪৯ কোটি ৫৬ লাখ ১০ হাজার ডলার, যা বছরে ৫.১২ শতাংশ বৃদ্ধি।
উদ্যোক্তারা বলেছেন, সংকট থাকলেও তা প্রচারের মতো তীব্র নয়। অনেক গ্যাসনির্ভর কারখানা দিনে উৎপাদন কমিয়ে রাতে অফ-পিক সময়ে তুলনামূলক পূর্ণ সক্ষমতায় চলছে। জুলাই-আগস্টে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং বেড়ে ৫ লাখ ৮৪ হাজার টিইইউ হয়েছে, আগের বছরের ৫ লাখ ৪৯ হাজার টিইইউর তুলনায়। জাহাজ আগমন ৬৭৪টি থেকে বেড়ে ৬৮৪টি হলেও খোলা পণ্য হ্যান্ডলিং সামান্য কমেছে।
বেসরকারি কনটেইনার ডিপোগুলোতে দুই মাসে রপ্তানি কনটেইনার হ্যান্ডলিং ৪.০১ শতাংশ বেড়েছে। ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা বলেছেন, জ্বালানি সংকট ও বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে এবং শিফট ও ছুটি সমন্বয় করে কারখানা চালু রাখা হচ্ছে। স্প্রিং সিজনে নতুন অর্ডার আসছে, তবে সংকট অব্যাহত থাকলে সময়মতো শিপমেন্ট নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।