কুমিল্লার গোমতী নদীর বিভিন্ন চরে আবার অবাধে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে, যা ফসলি জমি, নদীর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য উদ্বেগ তৈরি করেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, রাতের আঁধারে ট্রলিতে করে মাটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে; এতে চরে খাড়া কাটিং ও গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে। গত মঙ্গলবার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর এলাকায় গিয়ে প্রায় ৩০ ফুট গভীর এবং ২০০ ফুট দৈর্ঘ্য-প্রস্থের একটি খননের চিহ্ন দেখা যায়।
চরের কিনারায় থাকা দুটি তালগাছের চারপাশের মাটি দ্রুত সরে যাওয়ায় গাছ দুটি উপড়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। জগন্নাথপুরের কয়েক যুবক গাছ দুটি রক্ষার দাবি জানিয়েছেন এবং বর্ষায় বজ্রপাত থেকে বাঁচতে তালগাছের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাটি কাটার সঙ্গে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী জড়িত; পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের লোকজনকে ম্যানেজ করার অভিযোগও করেছেন তারা।
পাউবো জানায়, চলতি বছরে তাদের কোনো কাজ শুরু হয়নি এবং কারা মাটি কাটছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কর্মকর্তারা সংরাইশ এলাকার ইলিয়াসকে মাটি সিন্ডিকেটের প্রধান হিসেবে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, কাউকে গোমতী নদীর চর থেকে মাটি কাটার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।