বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এক সাক্ষী অভিযোগ করেছেন যে বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এম ইলিয়াস আলীর গুমের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। ইমরুল কায়েস নামের এক সাবেক সেনাসদস্য, যিনি একসময় জিয়াউলের দেহরক্ষী ছিলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এই জবানবন্দি দেন। কড়া পুলিশি প্রহরায় জিয়াউলকে আদালতে হাজির করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, তিনি র্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান এবং পরে জাতীয় টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে গুম, নির্যাতন ও হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
ইমরুল তার জবানবন্দিতে ২০১১ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে সংঘটিত একাধিক ঘটনার বর্ণনা দেন, যার মধ্যে ছিল মহাখালী ফ্লাইওভারের কাছে ইলিয়াস আলীকে অপহরণ, রেললাইন ও নদীতে লাশ ফেলা এবং সুন্দরবনে সাজানো অভিযান। তিনি দাবি করেন, জিয়াউল গুলি ও ইনজেকশন প্রয়োগের মাধ্যমে বহু মানুষকে হত্যা করেছেন এবং ১৫ মাসে ১৫০ থেকে ২০০ জন নিহত হন। বিবেকের তাড়নায় তিনি সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং ন্যায়বিচারের আহ্বান জানান।
ট্রাইব্যুনাল মামলায় গুম, নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগে জিয়াউল ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যাহত রেখেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।