একসময় বিদেশি অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল তুরস্ক এখন নিজস্ব যুদ্ধবিমান, ড্রোন, যুদ্ধজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্র, ট্যাংক ও উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি তৈরি করছে। ১৮ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আঙ্কারা একই সঙ্গে বিশ্বের বড় অস্ত্র রপ্তানিকারকদের মধ্যে অবস্থান শক্ত করছে। ২০০২ সালে দেশটির প্রতিরক্ষা খাতে কোম্পানি ছিল ৫৬টি; বর্তমানে তা সাড়ে ৪ হাজারের বেশি।
একই সময়ে প্রতিরক্ষা প্রকল্পের সংখ্যা ৬২ থেকে প্রায় ১ হাজার ৪০০-তে এবং প্রকল্পের আর্থিক পরিমাণ ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি হয়েছে। প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ রপ্তানি ২০০২ সালের ২৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার থেকে ২০২৫ সালে ১০ দশমিক শূন্য ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে রপ্তানি হয়েছে ৫ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য।
বাইকারের বায়রাকতার টিবি২, আকিঞ্জি ও কিজিলেলমা ড্রোন তুরস্কের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। তুর্কিশ অ্যারোস্পেসের পঞ্চম প্রজন্মের কান যুদ্ধবিমান ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম উড্ডয়ন করে এবং ইন্দোনেশিয়া ৪৮টি কান কেনার চুক্তি করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহার ৮৫ শতাংশের বেশি এবং তুরস্কের প্রতিরক্ষা পণ্য প্রায় ১৮৫ দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।