বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী রাজনৈতিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও অনেক শিক্ষক দলীয় সভা-সমাবেশ ও নির্বাচনি প্রচারে যুক্ত হচ্ছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের প্রভাবের কারণে এসব শিক্ষকের ওপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং শিক্ষা তদারকি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
কুড়িগ্রাম, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও রাজবাড়ীসহ বিভিন্ন জেলায় শিক্ষকরা প্রকাশ্যে রাজনীতিতে অংশ নিচ্ছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশাসনবিরোধী মন্তব্য করায় সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা স্থানীয় প্রভাবশালী শিক্ষক ও সংগঠনের চাপে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছেন না, ফলে পাঠদান ও পরীক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মোহাম্মদ শামসুজ্জামান জানান, অসহযোগিতার অভিযোগে ৪৩ শিক্ষককে বদলি এবং শতাধিককে শোকজ করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিটি জেলায় ফেসবুক মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে শুনানি শেষে শাস্তি নির্ধারণ করা হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।